1. admin@bartanews24.com : admin :
অপরুপ সুন্দরের এক লীলাভুমি নাফাখুম - বার্তা নিউজ২৪
রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২০, ০৩:৫৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ

দেশে সবোর্চ্চ করোনায় আর্ক্রান্ত  ৪০১৪ জন এবং সর্বোচ্চ মৃত্য  ৪৫ জন ।

শিরোনাম
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টার যোগে করোনায় আক্রান্ত অধ্যাপক ডাঃ চিত্তরঞ্জন দেবনাথ কে ঢাকায় স্থানান্তর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ‘স্মারক বৃক্ষরোপণ অভিযান কর্মসূচী-২০২০’ গ্রহণ করেছে বিমান বাহিনী করোনায় প্রতিরক্ষা সচিব মোহসীন চৌধুরীর মৃত্যু করোনায় জেলা জজের মৃত্যু স্থগিত সব সরকারি চাকরির পরীক্ষা সময় নির্ধারণ করলো জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী রেড জোন ঘোষিত এলাকাসমূহে সাধারণ ছুটি থাকবে এক নজরে বাজেট#২০২০-২০২১. সকল সাধারণ জ্ঞান কৃষি বিপনন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল ভ্রমন পিপাষুদের জন্য সুখবর দেশের আকর্ষনীয় যে জায়গায় করোনায় হানা দেয়নি। নৌবাহিনীর এ/২০২০ ব্যাচের ৭৮৯ জন নবীন নাবিকের শিক্ষা সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত

অপরুপ সুন্দরের এক লীলাভুমি নাফাখুম

  • রবিবার, ১০ মে, ২০২০
  • ২৭৫ বার পড়া হয়েছে

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে আগামী কিছুদিন কোথাও ভ্রমণ থেকে বিরত থাকুন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন ও সচেতন থাকুন।

নাফাখুম জলপ্রপাত (Nafakhum Waterfall) বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার রেমাক্রি ইউনিয়নে অবস্থিত। পানি প্রবাহের পরিমানের দিক থেকে এটিকে বাংলাদেশের অন্যতম বড় জলপ্রপাত হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়। আবার কেউ কেউ একে বাংলার নায়াগ্রা বলে অভিহিত করেন। নাফাখুম দেখতে থানচি বাজার থেকে সাঙ্গু নদী পথে নৌকা দিয়ে রেমাক্রি যেতে হয়। রেমাক্রীতে রয়েছে মারমা বসতি, মারমা ভাষায় খুম মানে জলপ্রপাত। রেমাক্রী থেকে প্রায় তিন ঘন্টা পায়ে হাটলে তবেই দেখা মিলে প্রকৃতির এই অনিন্দ্য রহস্যের। রেমাক্রী খালের পানি নাফাখুমে এসে বাক খেয়ে প্রায় ২৫-৩০ ফুট নিচের দিকে নেমে গিয়ে প্রকৃতি জন্ম দিয়েছে এই জলপ্রপাতের। দ্রুত গতিতে নেমে আসা পানির জলীয় বাষ্পে সূর্য্যের আলোয় প্রতিনিয়ত এখানে রংধনু খেলা করে। আপনি যদি অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় হন ও বান্দরবানে ট্রেকিং করার ইচ্ছে থাকে, কিংবা দেখতে চান বান্দরবানের গহীনের সবুজের খেলা, আদিবাসীদের জীবন চিত্র, সাঙ্গুর ভয়ংকর রূপ বা শীতের টলমলে পাথুরে জলের খেলা তবে আপনার জীবনে একবার হলেও যাওয়া উচিত অনিন্দ্য সুন্দর ঝর্ণায়।

নাফাখুম ভ্রমণের সময়

সারা বছরই অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় মানুষ নাফাখুম জলপ্রপাত দেখতে ছুটে যায়। তবে বর্ষায় প্রায়ই সাঙ্গু নদীর পানি প্রবাহ বিপদসীমার উপরে থাকলে প্রশাসন থেকে অনুমতি দেওয়া হয় না নাফাখুম যাওয়ার জন্যে। আবার শীতকালে নাফাখুমে পানি অনেকটাই কম থাকে। তাই সবচেয়ে আদর্শ সময় বর্ষার পর পর ও শীতকালের আগের সময়টুকু (সেপ্টেম্বর – নভেম্বর)। তবে যে সময়ই যান না কেন, এখানের প্রকৃতি আপনার ভালো লাগবেই। নাফাখুম ভ্রমণ আপনার জীবনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে আজীবন।

নাফাখুমেযাযাদেখবেনএবংআশেপাশেরদর্শনীয়স্থান

আপনারএইনাফাখুমভ্রমণেযাযাদেখতেপাবেনচিম্বুক, নীলগিরি, থানচি, সাঙ্গুনদী, পদ্মমুখ, তিন্দু, রাজাপাথর, রেমাক্রিফলসওরেমাক্রিপাড়া।এছাড়াআশেপাশেরদর্শনীয়স্থানগুলোরমধ্যেআছেআমিয়াখুম, ডিমপাহাড়, আলীকদম, বগালেককেওক্রাডংনীলাচল ও স্বর্ণমন্দির সহআরওঅনেকজায়গা।

এই পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই কেটাগরির আরো খবর